বাংলা নববর্ষ ১৪৩০: পহেলা বৈশাখের কবিতা ২০২৩

ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধে ভরা আমাদের এই ধরণী। বাঙালি জাতি যে কোন ধরনের উৎসবকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত। আজকে বাঙালি জাতির তেমনি একটি  ঐতিহ্যপূর্ণ দিবস। আজকে পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। বাংলা পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর দিন আজ। এজন্য চারিদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে নানা রকম আয়োজন করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাসব্যাপী বৈশাখী মেলা হয়ে থাকে। সবাই একে অপরের সাথে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকে। অনেকেই আবার পহেলা বৈশাখের কবিতা খুঁজে বেড়ায়। বিশ্বের বড় বড় কবিগন বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন। আপনি যদি এ সকল বাংলা নববর্ষ নিয়ে কবিতা পেতে ইচ্ছা করে থাকেন তাহলে আপনি এই মুহূর্তে সঠিক জায়গায় আছেন। আজকের এই পোস্টে অনেক সুন্দর সুন্দর পহেলা বৈশাখের কবিতা শেয়ার করা হবে।

পহেলা বৈশাখের কবিতা

আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলা নতুন বছরকে আমন্ত্রণ জানানোর উদ্দেশ্যে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এ সকল অনুষ্ঠানগুলোতে মনমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও থাকে। পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে এ সকল অনুষ্ঠানে অনেকেই কবিতা আবৃত্তি করে থাকেন। তাই অনেকে ইন্টারনেটে অনেক সুন্দর সুন্দর পহেলা বৈশাখের কবিতা খুঁজে বেড়ায়। সুতরাং আপনার জন্য এখানে এরকম বেশ কিছু অনেক সুন্দর সুন্দর বাংলা নববর্ষ কবিতা শেয়ার করা হয়েছে।

শুভেচ্ছার বার্তা নিয়ে আসে
বাংলার ১ম দিনের পহেলা বৈশাখ।
পহেলা বৈশাখ ভরে ওঠে আনন্দ উদযাপনে,
দিয়ে যায় শুভেচ্ছা বার্তা বাঙালির মনে।
এসো হে বৈশাখ পান্তা ইলিশ নিয়ে
সকলের মাঝে গাও গান জয় ধ্বনি দিয়ে।
বছরে সবাই থাকবো মিলে একসাথে
আনন্দ উদযাপন আর নাচে গানে উল্লাসে।

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কবিতা

বছর ঘুরে এলো আবার প্রহেলা বৈশাখ
বাঙ্গালী তাই সেজেছে আজ নববর্ষের সাজ !””
জাতিভেদ ভুলে গিয়ে এক কাতারে তারা
বর্ষবরনের আনন্দে হয়েছে দিশেহারা !!””

পান্তা ইলিশ, পিঠাপুলি আর বৈশাখী মেলায় ‘’
নাচে গানে উল্লাসে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ;’’’’
হাল খাতার রঙে রঙিন বাজারে দোকান
একই কন্ঠে তারাও গাইছে সাম্য মৈত্রের গান !!””

এসো তাই ভুলে যাই জাতি বর্ণ বিদ্বেষ,,,
সারা বছর মিলেমিশে থাকবো মোরা বেশ !!”””

বৈশাখের কবিতা

এসো হে বৈশাখ এসো এসো, আজকে বাংলা সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন সালকে গ্রহণ করার পালা। বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে অনেকেই ইন্টারনেটে বৈশাখের কবিতা খুঁজে থাকে। কারণ অনেকেই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে এ সকল কবিতাগুলো পোস্ট করে থাকে। আমি আপনার জন্য এখানে অনেক মিষ্টি মধুর বেশ কয়েকটি বৈশাখের কবিতা সংগ্রহ করেছি। আশা করি পহেলা বৈশাখ নিয়ে লিখিত এই কবিতাগুলো আপনার অনেক পছন্দ হবে।

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥
যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক॥

এসেছে বৈশাখ তোমাদের দ্বারে
দিও না ফিরিয়ে খালি হাতে তারে
ভুলে যেও যত যাতনা দিয়েছি তোমারে
পাঠালাম শুভেচ্ছা অঞ্জলি পেতে
রেখে দিও স্মরণে হৃদয়ের তরে।

বৈশাখী প্রেমের কবিতা

বৈশাখী প্রেম
সবুজ আহ্মেদ মিজান

তুমি আমি জীবন নামক সত্য নিয়ে প্রতিদিন বেঁচে থাকি
তুমি আমি মৃত্যু নামক সত্য নিয়ে প্রতিদিন ঘুম পোহাই
তুমি আমি প্রেম, তুমি আমি মিলন নতুবা ক্ষণিক বিচ্ছেদ;
এই ঝড়ো মৌসুমের অপরাহ্ণ ধোঁয়া বৃষ্টিতে আমি হয়ে যাই বেপরোয়া তুমিতে কাতর,
নিভে যাওয়া আলোর সিক্ত সন্ধ্যার ঝড়ো ঘুম কাটিয়ে
আজ অপেক্ষারা ঘুমিয়ে পড়ুক ভালোবাসার পাশ বালিশে…
আমি বরং তোমায় নিয়ে বৈশাখের প্রলয়প্রিয় আকাশ দেখি,
সূর্যাস্তের পরে আমাদের প্রেমাবৃত নামদুটি উড়িয়ে দিই দখিনের খোলা আকাশে
বৃষ্টিথামা ছোটাছুটি জ্যোৎস্নায় ঠোঁট মিশ্রিত আদরে বরণ করি নতুন তুমিকে,
তোমায় ভেবে ভেবে বৃষ্টি শুনি, ঝড়ো বাতাস শুনি
বৃষ্টি শহরে ঝড়ের প্রবাহবার্তায় তোমার প্রেমে পড়ি।
.
আজ বৃষ্টি ছুঁয়ে তুমিও শুনবে এসো
ঝড়ের মতো তুমিও গুনবে এসো আমার তোমাতে মেশার শ্বাস,প্রশ্বাস;
আমরা বৈশাখ ভালোবাসি
বৈশাখে ভালোবাসি,
এই বৈশাখে আমাদের সেই ভালোবাসা আবার এক হয়ে যাক
সেই সে বৈশাখের প্রথম প্রহরের দুটো প্রেম চাতকী মানুষের মতো
সেই বৈশাখের প্রতিটি প্রহরের জ্বলা নেভা অনুভূতির মতো
আমাদের ভালোবাসা ভালোবাসার আবেগ ফিরে পাক
এই বৈশাখী ঝড়ে আমাদের ভালোবাসা অমর হয়ে যাক।

বৈশাখী শুভেচ্ছা কবিতা

আপনারা যারা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চান তারা চাইলে মোবাইল মেসেজ বা মেসেঞ্জারে বৈশাখী শুভেচ্ছা কবিতা শেয়ার করতে পারেন। আমি লক্ষ্য করেছি যে এটার মধ্যে অনেকেই বাংলা নববর্ষ ও শুভেচ্ছা কবিতা ইন্টারনেটে খুজতেছে। তাদের জন্য এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর বৈশাখী শুভেচ্ছা কবিতা শেয়ার করা হয়েছে।

বৈশাখের শুরুতে হারিয়ে যাই
বাংলা নববর্ষে এমন আনন্দ পায় কোথা।
আনন্দ উদযাপনে যাই হারিয়ে
শুভ নববর্ষের এই দিনে।

সাল পহেলা আসছে আবার
নববর্ষের হালখাতা
বর্ষবরণ উৎসবে তাই
মেতে উঠবে জনতা।

গাঁয়ের মাঠে বসবে আবার
বৈশাখের ঐ মেলা
ছোট্র খোকা দোলনায় চড়ে
খেলবে মজার খেলা।

খোকা-খুকি ছন্দ পায়ে
নাচবে তা ধিন’তা
খুশির স্রোতে ভেসে যাবে
দূর অতীতের চিন্তা।

বটের নিচে জমবে আবার
পান্তা খাওয়ার ধুম
বর্গাচাষি করিম চাচার
হারিয়ে গেছে ঘুম !!

বৈশাখের কবিতা ১৪৩০

আজকে বাংলা ১৪২৯ সাল কে বিদায় জানিয়ে ১৪৩০ সাল কে সাদরে গ্রহণ করার পালা। আজকে বাংলা ১৪৩০ সাল উপলক্ষে যারা পহেলা বৈশাখের কবিতা খুঁজতেছে তাদের জন্য এখানে বেশ কয়েকটি সুন্দর সুন্দর নববর্ষের কবিতা শেয়ার করা হলো।

বাজে ঢোল বাজে ঢাক
ঐ এলো বৈশাখ !!””
মেলা হবে খেলা হবে
হবে কবি গান,,,,

বৈশাখে বাঙালির নাচে মন প্রাণ !!””
মন নাচে প্রাণ নাচে
হাসে কবি গুরু
ঝড় এলে বুক কাঁপে
ভয়ে দুরু দুরু !!

বাংলা নববর্ষ কবিতা

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে অনেকেই আজকে কবিতা খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমি আপনাদের জন্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বাছাই করে সংগ্রহকৃত অনেক সুন্দর সুন্দর বাংলা নববর্ষ কবিতা সংগ্রহ করেছি। আপনি চাইলে সম্পূর্ণ ফ্রিতে এ সকল পহেলা বৈশাখের কবিতা গুলো সংগ্রহ করতে পারেন।

নবচেতনায় নববর্ষ
এলো ফিরে দেশে
মেতে উঠো বাঙ্গালী
আনন্দে আজ হেসে।
বৈশাখ এলো সবার ঘরে
মুছে পুরাতন গ্লানী
বাংলা আমার মাতৃভূমি
সকল দেশের রাণী।
পান্তা ইলিশ,পিঠা-পায়েস
বেজায় খাওয়ার ধুম
ঢোলে শব্দে নেই চোখে
আর,ছেলে-বুড়োর ঘুম।
বসছে মেলা গাঁয়ের মোড়ে
শহর নগর বন্দরে
খুশির জোয়ার জনে জনে
ভেতর-বাহির অন্দরে।
সার্বজনীন উৎসব এটা
পয়লা বোশেখ বর্ষ
থাকুক সুখে সকল মানুষ
হৃদয়ে থাক হর্ষ।
এসো বৈশাখ এসো এসো
শুভ বাংলা নববর্ষ।

পহেলা বৈশাখের ছন্দ কবিতা

বৈশাখ এলো কাল বৈশাখীর
হাওয়ায়-হাওয়ায় ধেয়ে,,
বৈশাখ এলো বাউলের
বেশে বৈশাখী গান গেয়ে !!””

বৈশাখে বাঙালির নাচে মন প্রাণ !!””
মন নাচে প্রাণ নাচে
হাসে কবি গুরু
ঝড় এলে বুক কাঁপে
ভয়ে দুরু দুরু !!

পুরনো যত হতাশা, দুঃখ,অবসাদ,
নতুন বছর সেগুলোকে করুক ধূলিস্যাৎ।
সুখ, আনন্দে মুছে যাক সকল যাতনা।
*শুভ পহেলা বৈশাখ*

পুরনো হৃদয়ের সকল গ্লানি
মুছে ফেলো আজি
চারিদিকে আসছে আওয়াজ
পহেলা বৈশাখের বাজি।

বাজে ঢোল বাজে ঢাক
ঐ এলো বৈশাখ !!””
মেলা হবে খেলা হবে
হবে কবি গান,,,,

বৈশাখ এলো ক্ষিপ্ত বেগে
সিঁদুর মেঘের গায়,,
বৈশাখ এলো উগ্রতা নিয়ে
কৃসনো মেঘের নায় !!””

রবীন্দ্রনাথের বৈশাখী কবিতা

কবিগুরু ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ নিয়ে বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। আজকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ইন্টারনেটে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বৈশাখী কবিতা খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাদের জন্য এখানে অনেক সুন্দর একটি রবীন্দ্রনাথ লিখিত বাংলা নববর্ষ কবিতা শেয়ার করেছি।

হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল,
তপঃক্লিষ্ট তপ্ত তনু, মুখে তুলি বিষাণ ভয়াল
কারে দাও ডাক
হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!
ছায়ামূর্তি যত অনুচর
দগ্ধতাম্র দিগন্তের কোন্ ছিদ্র হতে ছুটে আসে!
কী ভীষ্ম অদৃশ্য নৃত্যে মাতি উঠে মধ্যাহ্ন-আকাশে
নিঃশব্দ প্রখর
ছায়ামূর্তি তব অনুচর!
মত্তশ্রমে শ্বসিছে হুতাশ।
রহি রহি দহি দহি উগ্রবেগে উঠিছে ঘুরিয়া,
আবর্তিয়া তৃণপর্ণ, ঘূর্ণচ্ছন্দে শূন্যে আলোড়িয়া
চূর্ণরেণুরাশ
মত্তশ্রমে শ্বসিছে হুতাশ।
দীপ্তচক্ষু হে শীর্ণ সন্ন্যাসী,
পদ্মাসনে বস আসি রক্তনেত্র তুলিয়া ললাটে,
শুষ্কজল নদীতীরে শস্যশূন্য তৃষাদীর্ণ মাঠে
উদাসী প্রবাসী—
দীপ্তচক্ষু হে শীর্ণ সন্ন্যাসী!
জ্বলিতেছে সম্মুখে তোমার
লোলুপ চিতাগ্নিশিখা, লেহি লেহি বিরাট অম্বর,
নিখিলের পরিত্যক্ত মৃতস্তূপ বিগত বৎসর
করি ভস্মসার।
চিতা জ্বলে সম্মুখে তোমার।
হে বৈরাগী, করো শান্তিপাঠ।
উদার উদাস কণ্ঠ যাক ছুটে দক্ষিণে ও বামে,
যাক নদী পার হয়ে, যাক চলি গ্রাম হতে গ্রামে,
পূর্ণ করি মাঠ।
হে বৈরাগী, করো শান্তিপাঠ।
সকরুণ তব মন্ত্রসাথে
মর্মভেদী যত দুঃখ বিস্তারিয়া যাক বিশ্ব- ’পরে,
ক্লান্ত কপোতের কণ্ঠে, ক্ষীণ জাহ্নবীর শ্রান্তস্বরে,
অশ্বত্থছায়াতে—
সকরুণ তব মন্ত্রসাথে।
দুঃখ সুখ আশা ও নৈরাশ
তোমার ফুৎকারলুব্ধ ধুলা-সম উড়ুক গগনে,
ভ’রে দিক নিকুঞ্জের স্খলিত ফুলের গন্ধসনে
আকুল আকাশ—
দুঃখ সুখ আশা ও নৈরাশ।
তোমার গেরুয়া বস্ত্রাঞ্চল
দাও পাতি নভস্তলে, বিশাল বৈরাগ্যে আবরিয়া
জরা মৃত্যু ক্ষুধা তৃষ্ণা, লক্ষকোটি নরনারী-হিয়া
চিন্তায় বিকল।
দাও পাতি গেরুয়া অঞ্চল।
ছাড়ো ডাক, হে রুদ্র বৈশাখ!
ভাঙিয়া মধ্যাহ্নতন্দ্রা জাগি উঠি বাহিরিব দ্বারে,
চেয়ে রব প্রাণীশূন্য দগ্ধতৃণ দিগন্তের পারে
নিস্তব্ধ নির্বাক।
হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ!

পহেলা বৈশাখের রোমান্টিক কবিতা

পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাগন ইন্টারনেটে পহেলা বৈশাখের রোমান্টিক কবিতা খুঁজে বেড়ায়। কারণ তারা তাদের প্রিয় মানুষটিকে এ সকল রোমান্টিক কবিতা পাঠিয়ে তাদেরকে মনোমুগ্ধকর করতে চায়। এজন্য এখানে আমি আপনার জন্য বাংলা নববর্ষের একটি রোমান্টিক কবিতা শেয়ার করেছি।

বৈশাখী মেয়ে এলো আমাদের গাঁয়েতে
কপালের টিপপরা রংমাখা পায়েতে।
ধানকুলা হাতে তার বাজে ঢাক-ঢোলক
হাসি-খুশী মুখখানা দোলে নাকে নোলক।
বৈশাখী মেয়ে এলো মেলা বসে মাঠেতে
খোকাখুকুর মন নেই একা একা পাঠেতে।
বাড়ি বাড়ি গান গায় মাতে নববর্ষে—
বরণের ডালাখানি হাতে নিয়ে হর্ষে।
তাই দেখে বৈশাখী হাসে বড় মুচকি—
দই-চিড়ে-সন্দেশ আরো খায় ফুচকি।
সার্কাসের হাতি-ঘোড়া ভালুকের মায়াতে
একবছর থেকে যায় পল্লীর ছায়াতে।

নববর্ষের ছড়া কবিতা

বৈশাখের মেলাতে
ঘুরতে ফিরতে
উঠতে বসতে
ধরতে ছাড়তে ,,,,

দেখি কত যুবতী
হাসছে গাইছে
কেনাকাটা করছে
খাচ্ছে দাচ্ছে
কোমড় দুলিয়ে হাটছে !!””

লাল পাড়ে সাদা শাড়ি
ছেলেদের নজর কাড়ি
এ যেন রসের হাড়ি
নয় কোন বাড়াবাড়ি !!””

ছেলেরাও কম না
টিএসসি রমনা
সারাদিন কাটিয়ে
যায় মেয়ে পটিয়ে !!””

Pohela Boishakh Kobita

মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি,,,,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুজ্মটিজাল যাক দূরে যাক !!””

বাজে ঢোল বাজে ঢাক
ঐ এলো বৈশাখ !!””
মেলা হবে খেলা হবে
হবে কবি গান,,,,

বৈশাখে বাঙালির নাচে মন প্রাণ !!””
মন নাচে প্রাণ নাচে
হাসে কবি গুরু
ঝড় এলে বুক কাঁপে
ভয়ে দুরু দুরু !!”””

শেষ কথা

আমাদের সকলের উচিত সতর্কতার সাথে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদযাপন করা। আপনারা যারা ইন্টারনেটে পহেলা বৈশাখের কবিতা খুজতেছিলেন তাদের জন্য এই পোস্টে অনেক সুন্দর সুন্দর বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বাছাই করে বাংলা নববর্ষের কবিতা শেয়ার করা হয়েছে। আশা করি ইতিমধ্যে আপনি এই পোষ্টের মাধ্যমে কবিতাগুলো সংগ্রহ করতে পেরেছেন। সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্টটি এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *