স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য ২০২৪

স্বাধীনতা দিবস একটি মর্মান্তিক ও ঐতিহাসিক উৎসব, যা বিশেষভাবে মানবিক মূল্যবোধ, জাতীয় গর্ব এবং স্বাধীনতা অর্জনের অপরিহার্য গৌরবগুলি উদ্ধৃত করে। এটি সম্পূর্ণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালন করা হয়, সাধারণত রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা অর্জনের স্মৃতি ও উদযাপনের দিন হিসাবে পরিচিত। প্রতি বছর মার্চ মাসের ২৬ তারিখ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। এই দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনেকে ২৬শে মার্চে স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য দেয়। আপনিও এই দিবসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতে চাইলে নিচে দেওয়া ভাষণ ও বক্তব্য টি ফলো করতে পারেন।

স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য

২৬ শে মার্চে স্বাধীনতা দিবস পালন কর হয়। স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য দিতে চাইলে প্রথমে এই সম্পর্কে কিছু বক্তব্য ও ভাষণ জানতে হবে। এরপর নিজের মতো করে বক্তব্য উপস্থাপন করতে হবে। ভাষণে স্বাধীনতা সকল ইতিহাস তুল ধরতে হবে। ২৬ শে মার্চে কি হয়েছিল বা কেনো  হয়েছিলো স্পকল বিষয় বলতে হবে। নিচে ২৬ শে মার্চের জন্য স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য তৈরি করে দেওয়া আছে।

প্রিয় উপস্থিত বিন্দু,

আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করছি সবাই ভালো আছে। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন ——-। আজকের দিন টি এক বিশেষ দিন। যা বাংলাকে স্বাধীনতার প্রেরণা দিয়েছিলো। আজকের দিনের হাত ধরে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলো। আর এই সবাধনতা যুদ্ধের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার অবদানে বা অধীনে আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। প্রতি বছর আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি চারণ করতে হবে।

স্বাধীনতা দিবসে মানুষ তাদের দেশের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লড়াইয়ের স্মৃতিগুলি উদযাপন করে এবং সেই বলিষ্ঠ যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য ও সীমান্ত মানে মানুষের আত্মবিশ্বাস এবং জাতীয় একতা তৈরি করে। এই দিনে সাধারণত বিশেষ আয়োজন হয়, যেখানে প্রধানত স্কুল, কলেজ, সরকারী ইনস্টিটিউট, সম্প্রতি স্বাধীন হওয়ার সম্মানিত লোকের সাথে স্মরণ ও উদযাপনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাধীনতা দিবসে মূলত উপলক্ষে অনেক আয়োজন হয়, যার মধ্যে বিশেষ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে জাতীয় দল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বিশেষ গৌরবান্বিত উপলক্ষ অনুষ্ঠান অন্যত্র পাওয়া যায়। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিগণ, রাষ্ট্রীয় নেতা, সরকারি কর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষেরা অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলি স্মরণ করে। স্বাধীনতা দিবস একটি মূলত উৎসবের বিশেষ মেলা যা সাধারণত জাতীয় কর্মী বা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এই মেলাগুলি অধিকাংশই রঙ্গিন ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী, খেলাধুলা, খাবারের উপকরণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সম্মেলনের জন্য পরিচালিত হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে সমাজে একতা, আনন্দ এবং জীবনী বড়ানো হয়।

আমার বক্তব্য আর দির্ঘায়িত করবো না। আজকে এখানেই শেষ। আবারো আমি মনাহ স্বাধীনতা দিবসের প্রাণ ডালা শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেছি। আসসালামুয়ালাইকুম।

২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বক্তব্য

প্রিয় দেশবাসীগণ,

স্বাধীনতা দিবসে আমরা সম্পূর্ণরূপে উদ্যোগী হয়ে উঠতে এবং আমাদের দেশের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লড়াইয়ের স্মৃতিগুলি উদযাপন করতে। এই দিনটি আমাদের জন্মভূমির মহান বিজয় এবং স্বাধীনতার অর্জনের উদ্যোগের স্মৃতি উজ্জ্বল করে তোলে।

স্বাধীনতা দিবস আমাদের স্বাধীনতার মূল্যায়ন এবং একজন নাগরিক হিসাবে আমাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আমাদের স্মরণ করা যেতে পারে। এটি একটি স্বাধীন জনতার পরিবর্তনের উদ্দীপনা হিসাবে কাজ করতে পারে, এবং আমাদেরকে স্বাধীনতা এবং মানবিক অধিকারের মানের ওপর ভিত্তি করে আমাদের দেশ ও সমাজ অভিজ্ঞ করে।

আজ আমরা আমাদের স্বাধীনতার অধিকার এবং মানবিক মূল্যায়ন সম্পর্কে পুনঃবিচার করতে এবং সমগ্র সমাজের উন্নতির কথা চিন্তা করতে পারি। আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য বিশ্বের সমগ্র মানবতার জন্য একটি আদর্শ সেবা করা উচিত।

আজ আমরা সমগ্র দেশবাসীর একত্রীকরণ এবং একটি মহান উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়ে দেশের উন্নতি এবং উন্নয়নের কাজে যোগদান করতে আহ্বান জানাই।

স্বাধীনতা দিবসে সমস্ত দেশবাসীদের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।

ধন্যবাদ।

শেষ কথা

ভাষণ বা বক্তব্য দেওয়া খুব কঠিন বিষয় নেই। কঠিন বিষয় হচ্ছে ভাষণ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা। ভাষণকে আরও সুন্দর করতে প্রতিনিয়ত চর্চা করতে হবে। এই ভাষণে স্বাধীনতা দিবসের সকল বিষয় উল্লেখ রাখতে হবে। এজন্য এখানে দেওয়া স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য গুলো বেশি বেশি পড়ুন। এর সাথে আপনি আরও কিছু কথা যোগ করতে পারেন।

আরও দেখুনঃ

স্বাধীনতা দিবসের স্ট্যাটাস, উক্তি ও বাণী

স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য

২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়

One thought on “স্বাধীনতা দিবস নিয়ে বক্তব্য ২০২৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *